প্রশ্ন       

عن أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: ” ما من معمر يعمر في الإسلام أربعين سنة، إلا صرف الله عنه ثلاثة أنواع من البلاء: الجنون، والجذام، والبرص، فإذا بلغ خمسين سنة، لين الله عليه الحساب، فإذا بلغ ستين، رزقه الله الإنابة إليه بما يحب، فإذا بلغ سبعين سنة، أحبه الله، وأحبه أهل السماء، فإذا بلغ الثمانين، قبل الله حسناته، وتجاوز عن سيئاته، فإذا بلغ تسعين، غفر الله له ما تقدم من ذنبه، وما تأخر، وسمي أسير الله في أرضه، وشفع لأهل بيته.

আমাদের এলাকার খতিব সাহেব জুমার বয়ানে উপরোক্ত হাদীসের আলোকে বলেন যে, যদি কোন ব্যক্তির ৮০ বা ৯০ বছর বয়স হয়ে যায়। তাহলে তার নাকি ছগীরা এবং কবীরা গুনাহ মাফ হয়ে যায়। কবীরাহ গুনাহ তথা নামাজ, রোজা, হজ্ব ও যাকাত ইত্যাদি সব এবাদত ছেড়ে দেয়ার গোনাহ এর অন্তর্ভুক্ত। এ হাদীসটি কতটুকু সঠিক? এবং এই হাদীসের সনদ ও মান ঠিক আছে কিনা? বিস্তারিত জানিয়ে ধন্য করবেন।

প্রশ্নকারী:
হাফেজ মাওলানা মোঃ হোসাইন আহমদ
বিন আব্দুল মজিদ সাহেব সিংড়া, নাটোর।

উত্তরপত্র

الجواب باسم ملهم الصدق و الصواب

হাদীস ও হাদীসের ব্যাখ্যা গ্রন্থসহ হাদীস সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য বিভিন্ন গ্রন্থ অধ্যয়ন ও অনুসন্ধান করার পর প্রতিয়মান হয় যে, উক্ত হাদীসটি আনাস ইবনে মালেক রাযি. থেকে একাধিক সনদে বা সূত্রে বর্ণিত হয়েছে।

হাদীসের স্থান:

হাদীসটি হাদীসের নির্ভরযোগ্য কিছু গ্রন্থে পাওয়া যায়। তন্মধ্যে কয়েকটি নিচে উল্লেখ করা হলো:

  1. মুসনাদে আহমদ-ইমাম আহমদ রহ. (মৃত: ২৪১ হি.) খ. ৯ পৃ. ৪৪৫, হাদীস নং ৫৬২৬, খ. ২১ পৃ. ১২, হাদীস নং ১৩২৭৯, (প্রকাশনায়: মুআসসাসাতুর রিসালাহ)।
  2. মুসনাদে বায্যার-আবু বকর আহমদ ইবনে আমর আল-বায্যার (মৃত: ২৯২ হি.) খ. ১২ পৃ. ৩২১-৩২২, হাদীস নং ৬১৮২, ৬১৮৩, খ. ১৩ পৃ. ৩৫, হাদীস নং ৬৩৪৩ (প্রকাশনায়: মাকতাবাতুল উলূম ওয়াল হিকাম)।
  3. মুসনাদে আবী ইয়া‘লা মাওসিলী-ইমাম মাওসিলী রহ. (মৃত: ৩০৭ হি.) খ. ৭ পৃ. ১৪১-২৪৪, হাদীস নং ৪২৪৬,৪২৪৭,৪২৪৮,৪২৪৯,৪২৪৫০ (প্রকাশনায়: দারুস সাকাফাহ আল আরবিয়্যাহ)।
  4. তাযকিরাতুল মাওযূ‘আত-মুহাম্মদ তা¡হের ইবনে আলী আল-ফাত্নি রহ. (মৃত: ৯৮৬ হি.), পৃ. ১২৪, (প্রকাশনয়া: দারু ইহইয়াইত তুরস আল-আরবী)।
  5. কিতাবুল মাওযূ‘আত-ইবনুল জাওযী রহ. (মৃত: ৫৯৭ হি.) খ. ১ পৃ. ১৭৯।

  হাদীসের হুকুম বা মান পর্যালোচনা:

সনদের বিচারে ও মুহাদ্দিসীনে কেরামের উসূলের নিরিখে উক্ত হাদীসটি অত্যন্ত দুর্বল বরং মওজু তথা বানোয়াট। কেননা হাদীসের প্রত্যেক সনদে এমন একজন বর্ণানাকারী রয়েছেন, যার ব্যাপারে হাদীস বিশারদগণের আপত্তিকর মন্তব্য রয়েছে। ফলে উক্ত বর্ণনাকারী অত্যন্ত দুর্বল বলে প্রমাণিত হয়।

এছাড়াও উক্ত হাদীসের মাফহুম বা মর্মার্থ:

  1. কোনো ব্যক্তি ইসালামের মধ্যে ৪০ বছর বয়সে পৌঁছালে, আল্লাহ তার থেকে তিন ধরনের বিপদ দূর করে দেওয়া: উম্মাদনা, কুষ্ঠরোগ, শ্বেতরোগ।
    1. ৫০ বছরে পৌঁছালে আল্লাহ তার হিসাব সহজ করে দেওয়া।
    1. ৬০ বছরে পৌঁছালে আল্লাহ তাকে তার দিকে ফিরে আসার তাওফীক দেওয়া।
    1. ৭০ বছরে পৌঁছালে আল্লাহ এবং আসমানবাসী তাকে ভালোবাসা।
    1. ৮০ বছরে পৌঁছালে আল্লাহ তার নেক আমল কবুল করা এবং তার গোনাহ মিটিয়ে দেওয়া। আর ৯০ বছরে পৌঁছালে আল্লাহ তার অতীত ও ভবিষ্যতের গোনাহ মাফ করে দেওয়া।

এসব বিষয়গুলো উসূলে দ্বীন তথা কুরআন ও সহীহ হাদীসের স্পষ্ট বক্তব্যসহ শরীয়তের অন্যান্য মূলনীতির সাথে সাংঘর্ষিক।

 সেই কারণে মুহাদ্দিসীনে কেরামের প্রণীত নীতিমালার আলোকে এই হাদীসটি موضوع (বানোয়াট) ও অগ্রহণযোগ্য বলে গণ্য হবে।

মুহাদ্দিসীনে কেরামের প্রণীত নীতিমালাা:

  • ইবনে কাইয়্যিম আল-জাওযিয়্যাহ রহ. বলেন:

مخالفة الحديث لصريح القرآن.

অর্থাৎ যে হাদীস স্পষ্ট কুরআনের বিরোধিতা করে (তা موضوع বা বানোয়াট)।

  • ইবনে কাইয়্যিম আল-জাওযিয়্যাহ রহ. বলেন,

مناقضة الحديث لما جاءت به السنة الصريحة مناقضة بينة، فكل حديث يشتمل على فساد أو ظلم أو عبث أو مدح باطل أو ذم حق أو نحو ذلك، فرسول الله- صلى الله عليه و سلم- منه بريء.

অর্থাৎ কোনো হাদীস সহীহ ও স্পষ্ট সুন্নাহর বক্তব্যের সাথে প্রকাশ্য বিরোধ সৃষ্টি করা, যেমন এমন কোনো হাদীস যাতে মিথ্যা, জুলুম, অর্থহীনতা, বাতিলের প্রশংসা, সত্যের নিন্দা বা এ জাতীয় কোনো বিষয় থাকে, যেসব থেকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পূর্ণ নির্দোষ ও মুক্ত।

  • ইবনে কাইয়্যিম আল-জাওযিয়্যাহ রহ. বলেন,

تكذيب الحسّ له

অর্থাৎ যদি কোনো হাদীস এমন কিছু বর্ণনা করে যা বাস্তব অভিজ্ঞতা ও প্রত্যক্ষ সত্য মিথ্যা প্রমাণ করে তা موضوع বা বানোয়াট।

আর ৪০ বৎসর অতিবাহিত হলে উম্মাদনা, কুষ্ঠরোগ এবং শ্বেতরোগ থেকে মুক্তি লাভ করার বিষয়টি বাস্তব অভিজ্ঞতার বিপরিদ কারণ অনেক নেককার মুসলিমকে দেখা যায় ৪০ বৎসর অতিবাহিত হওয়ার পর পাগল হয়ে গিয়েছে এবং কুষ্ঠরোগ ও শ্বেতরোগসহ বিভিন্ন রোগো আক্রান্ত হয়েছে।

এবং ৬০ বছরে পৌঁছালে আল্লাহ তাকে তার দিকে ফিরে আসার তাওফীক দেওয়া এটিও বাস্তব অভিজ্ঞতার বিপরিদ কারণ অনেক মুসলিমকে দেখা যায় ৬০ বৎসর অতিবাহিত হওয়ার পরও হেদায়াতের পথে ফিরে আসে না।

প্রশ্নোলিখিত হাদীসটি কুরআনের সাথে সাংঘর্ষিক হওয়ার কিছু দলিল:

  • আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

    فمن يعمل مثقال ذرة خيرا يره* و من فمن يعمل مثقال ذرة شرا يره

    অর্থ: সুতরাং কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করে থাকলে সে তা দেখতে পাবে, এবং কেউ অণু পরিমাণ অসৎকর্ম করে থাকলে তাও দেখতে পাবে।

    • আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

    فأما من أوتي كتاته بيمينه* فسوف يحاسب حسابا يسيرا* و ينقلب إلى أهله مسرورا* و أما من أوتي كتابه وراء ظهره* فسوف يدعو ثبورا

    অতএব যাকে তার আমলনামা ডান হাতে দেওয়া হবে, তার থেকে তো হিসাব নেওয়া হবে সহজ হিসাব, আর সে আনন্দের সাথে তাঁর পরিবারের কাছে ফিরে যাবে। কিন্তু যাকে তার আমলনামা দেওয়া হবে তার পিঠের পিছন থেকে, সে মৃত্যুকে ডাকবে।

    • আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

    و أما من أوتي كتابه بشماله فيقول يا ليتني لم أوت كتابيه* و لم أدر ما حسابيه

    অর্থ: আর যার আমলনামা বাম হতে দেওয়া হবে, সে বলবে হায় আফসোস! যদি আমলনামা আমার হাতে না দেওয়া হতো, আর যদি আমি না জানতাম আমার হিসাব কী!

    এ সকল আয়াত থেকে প্রমাণিত হয় যে, ছোট-বড় প্রতিটি কাজের হিসাব হবে, এবং সহজ হিসাবের শর্ত হলো সৎকর্মশীল হওয়া ও আমলনামা ডান হাতে পাওয়া, বয়স কোনো শর্ত নয়।

    • আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

    إن الله يحب المحسنين

    অর্থ: নিশ্চয়ই আল্লাহ সৎকর্মশীলদে ভালোবাসেন।

    অর্থাৎ ভালোবাসার মানদন্ড সৎকর্ম বয়স নয়।

    • আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

    إن الله لا يغفر أن يشرك به و يغفر ما دون ذلك لمن يشاء

    অর্থ: নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর সাথে শিরককে মাফ করবেন না, আর এ ছাড়া যা কিছু আছে তিনি যাকে ইচ্ছা মাফ করবেন।

    • আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

    إلاّ من تاب و آمن و عمل عملا صالحا فأولئك يبدّل الله سيئاتهم حسنات

    অর্থ: কিন্তু যারা তাওবা করে, ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে, তাদের মন্দ কাজগুলো আল্লাহ নেকীতে পরিণত করবেন।

    • আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

    و من لم يتب فأولئك هم الظالمون

    অর্থ: আর যারা তাওবা বরবে না, তারাই জালিম।

    এ সকল আয়াত থেকে প্রমাণিত হয় যে, কবীরাহ গোনাহ মাফের একমাত্র পন্থা হলো, তাওবা ও ক্ষমাপ্রাথনা করা। এই পন্থা ছাড়া বয়সের কারণে গোনাহ মাফ হওয়ার কথা কোথাও বলা হয়নি।

    এমনিই ভাবে হাদীসের সাথে সাংঘর্ষিক কিছু দলিল:

    • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,


    إذا أحب الله عبدا نادى جبريل: إن الله يحب فلانا، فيحبه جبريل، فينادي جبريل في أهل السماء: إن الله يحب فلانا فأحبوه، فيحبه أهل المسماء، ثم يوضع له القبول في أهل الأرض.


    অর্থ: যখন আল্লাহ কোনো বান্দাকে ভালোবাসেন, তখন তিনি জিবরীলকে ডাকেন এবং বলেন, আমি অমুককে ভালোবাসি, তাই তুমি তাকে ভালোবাসো, তখন জিবরীল তাকে ভালোবাসেন এবং আসমানবাসীরাও তাকে ভালোবাসে, অতঃপর পৃথিবীতে তার জন্য গ্রহণযোগ্যতা প্রতিষ্ঠা করা হয়।
    হাদীসের মান: হাদীসটি সহীহ, বর্ণনাকারী সকলেই গ্রহণযোগ।
    এখানে ভালোবাসার জন্য ৭০ বছরে পৌঁছা শর্ত করা হয়নি, বরং যখন আল্লাহ কাউকে ভালোবাসেন তখন মানুষের অন্তরেও তাঁর প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টি করে দেন।

    • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,


    الصلاوات الخمس، و الجمعة إلى الجمعة، و رمضان إلى رمضان مكفرات لما بينهن إذا اجتنبت الكبائر


    অর্থ: পাচঁ ওয়াক্ত নামায, এক জুমা‘আ থেকে আরেক জুমা‘আ এবং এক রমযান থেকে আরেক রমযান এগুলোর মাঝে সংঘটিত (ছোট) গোনাহ মাফ করে দেয়, যদি বড় গোনাহ থেকে বেঁছে থাকে।
    হাদীসের মান: হাদীসটি সহীহ, বর্ণনাকারী সকলেই গ্রহণযোগ্য।

    • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,


    التائب من الذنب كمن لا ذنب له


    অর্থ: যে ব্যক্তি গোনাহ থেকে তাওবা করে, সে এমন যেন তার কোনো গোনাহই ছিল না।
    হাদীসের মান: হাদীসটি সহীহ, বর্ণনাকারী সকলেই গ্রহণযোগ্য।

    • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,


    كل ابن آدم خطاء، و خير الخطائين التوابون


    অর্থ: আদম সন্তানেরা সবই গোনাহ করে, আর সর্বশ্রেষ্ঠ গোনাগার তারা যারা তাওবা করে।
    হাদীসের মান: হাদীসের মান: ইমাম তিরমিযী রহ. বলেছেন, هذا حديث غريب অর্থাৎ এটি গরীব তথা একক সূত্রে বর্ণিত হাদীস। এবং সনদের বিচারে হাদীসটি সহীহ, কেননা বর্ণনাকারী সকলেই গ্রহণযোগ

    • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,


    أعذر الله إلى امرئ أخر أجله حتى بلغ ستين سنة


    অর্থ: যার বয়স আল্লাহ ৬০ পর্যন্ত দীর্ঘ করেছেন, তার আর কোনো অজুহাত থাকে না (তাওবা ও প্রস্তুতির দায়িত্ব তার উপর নিশ্চিত হয়ে যায়)।

    উপরোক্ত কুরআনের আয়াত সমূহ ও হাদীসগুলোর মধ্যে নিম্নোক্ত বিষয়গুলি পাওয়া যায়।

    1. সহজ হিসাবের শর্ত হলো সৎকর্মশীল হওয়া ও আমলনামা ডান হাতে পাওয়া বয়স কোনো শর্ত নয়।
    2. ৯০ বছরে পৌঁছালেই সব গোনাহ মাফ হয়ে যাবে একথা কুরআন-সুন্নাহ এর কোথাও পাওয়া যায় না।
    3. গোনাহ মাফের জন্য কুরআন-সুন্নাহ সর্বত্রই শর্ত দিয়েছে: তাওবা, ঈমান ও সৎকর্ম করা জরুরি।
    4. ছোট গোনাহ মাফের জন্য বড় গোনাহ থেকে বেঁছে থাকা শর্ত।
    5. বয়স বাড়লে দায় কমে না, বরং হিসাব আরও গুরুতর হয়।

    একটি সংসয়ের নিরসন:

    আল্লামা হায়সামী রহ. বলেন,

    رواه البزار بإسنادين، و رجال أحدهما ثقات

    অর্থাৎ ইমাম বায্যার রহ. এই হাদীসটি দুটি সনদে বর্ণনা করেছেন। আর দুই সনদের একটির সমস্ত বর্ণনাকারী বিশ্বস্ত। যথাসাধ্য অনুসন্ধান করার পর “মুসনাদে বায্যার” এর মধ্যে এমন কোনো সনদ পাইনি, যার সমস্ত বর্ণনাকারী বিশ্বস্ত। সুতরাং আল্লামা হায়সামী রহ. এর সে কথাটি নির্ভযোগ্য নয়।

    সারকথা:

    এই হাদীসটি موضوع (বানোয়াট) ও অগ্রহণযোগ্য এবং এর উপর আমল করা যাবে না। কারণ এ হাদীসের মর্ম শরীয়তের অন্যান্য নুসুস-কুরআন ও সহীহ সুন্নাহ এবং মুহাদ্দিসীনে কেরামের মূলনিতীর সঙ্গে স্পষ্টভাবে সাংঘর্ষিক।

    উত্তর লিখনে:                                 

    ইয়াছিন আরাফাত বি-বাড়িয়া
    ছাত্র: সমাপনী বষর্,
    উচ্চতর হাদীস গবেষণা বিভাগ
    জামিয়া ইসলামিয়া ওবাইদিয়া, নানুপুর।

    সত্যায়নে:

    আল্লামা মুফতি শায়খ কুতুবুদ্দীন (দা. বা.)

    শাইখুল হাদীস ও উচ্চতর হাদীস গবেষণা বিভাগের প্রধান মুশরিফ

    আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আল-উবাইদিয়্যাহ নানুপুর, ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ।